২০১৮-১৯ মরশুমের রবিশস্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধিতে মন্ত্রিসভার অনুমোদন

এই মুহূর্তে পাঁচমিশালী

খবরইন্ডিয়াঅনলাইন, নয়াদিল্লিঃ  কৃষকদের আয় বাড়াতে ২০১৮-১৯ মরশুমের রবিশস্যের ন্যুনতম সহায়ক মূল্য বাড়ানোর বিষয়টি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। নতুন দিল্লিতে আজ প্রধানমন্ত্রীর পৌরহিত্যে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি এই প্রস্তাব মঞ্জুর করে। রবি মরশুমের এই ফসল ২০১৯-২০ মরশুমে বিপণনের ক্ষেত্রে ন্যুনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্তটি কার্যকর হবে। কৃষক-বান্ধব এই সিদ্ধান্তের ফলে উৎপাদন খরচের অন্তত ৫০ শতাংশ ফিরিয়ে দিতে সুনির্দিষ্ট ফসলগুলির ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে বৃদ্ধির দরুণ কৃষকদের অতিরিক্ত ৬২ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে, কৃষকদের আয়ও দ্বিগুণ হবে।

মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের ফলে গমের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বেড়ে হয়েছে ক্যুইন্টাল প্রতি ১০৫ টাকা, সূর্যমুখীর ক্ষেত্রে ক্যুইন্টাল প্রতি ৮৪৫ টাকা, বার্লির ক্যুইন্টাল প্রতি ৩০ টাকা, মুসুর ডালের ক্যুইন্টাল প্রতি ২২৫ টাকা, ছোলার ডালের ক্যুইন্টাল প্রতি ২২০ টাকা এবং সর্ষে বীজের ক্যুইন্টাল প্রতি ২০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গম, বার্লি, ছোলা, মুশুর ডাল, সর্ষে বীজ এবং সূর্যমুখী ক্ষেত্রে সরকার যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য স্থির করেছে, তা উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক বেশি।

গমের উৎপাদন খরচ ক্যুইন্টাল প্রতি ৮৬৬ টাকা এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ক্যুইন্টাল প্রতি ১৮৪০ টাকা, যা উৎপাদন খরচের ১১২.৫ শতাংশ বেশি। একইভাবে বার্লির উৎপাদন খরচ ক্যুইন্টাল প্রতি ৮৬০ টাকা এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ১৪৪০ টাকা, যা উৎপাদন খরচের ৬৭.৪ শতাংশ বেশি। ছোলার ক্যুইন্টাল প্রতি উৎপাদন খরচ ২৬৩৭ টাকা এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ৪৬২০ টাকা, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় ৭৫.২ শতাংশ বেশি। এছাড়াও, মুসুর ডালের উৎপাদন খরচ ক্যুইন্টাল প্রতি ২২১২ টাকা হলেও ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ৪২০০ টাকা, যা কৃষকদের উৎপাদন খরচের তুলনায় ৮৯.৯ শতাংশ অর্থ ফিরিয়ে দেবে। সূর্যমুখীর ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচ ক্যুইন্টাল প্রতি ৩২৯৪ টাকা এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ৪৯৪৫ টাকা, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় ৫০.১ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ মরশুম থেকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে।( তথ্যঃ পিআইবি )।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *