শ্মশানঘাট -এর বেহালদশা

এই মুহূর্তে সারাবাংলা

জয়ন্ত সাহা, খবরইন্ডিয়াঅনলাইনঃ   আসানসোলের কল্যানেশ্বরী শশ্বানঘাট।এই শশ্বানঘাট বেহালদশা, পরিস্কার পরিছন্ন বহুদিন করা হয়নি।দেহ দাহ করা খুব কঠিন অবস্থা। সেড মাত্র একটি তাও ভক্তদের অনুদানে বানানো।কিন্তু দেহ দাহ করা পর পরিস্কার করা হয় না।এমনকি দাহ নেভানোর জন্য নদীতে জল তোলার জন্য নামার নেই বাঁধানো সিড়ি, না আছে দাহ করার যায়গা তে কোন আলোর ব্যাবস্থা।যা কাজ হয়েছে ভক্তদের অনুদানে। সামনে শশ্বানকালীআশ্রম,  সেখানে সেবাইত সাধু শীতলবাবা যায় না।

 

দেহ পড়ানোর পর পরিস্কার হয় না কারণ আমরা লোক দিয়ে পরিস্কার করি কিন্তু বয়স হচ্ছে আর পেরে উঠে না।তাই অপরিষ্কার।তাদের যা কিছু সব অনুদানে চলে। কেউ  এলে তারা ৫০/১০০/২০০ করে টাকা দিয়ে জায়।  এমনকি শুধু কুলটি সালানপুর না,  দেহ আসে ঝাড়খণ্ড থেকেও কিন্তু সাধুবাবা যেটা বললেন, যারা দেহ নিয়ে আসে তার কোন প্রমাণপত্র দেখার কর্মী নেই। শীতলবাবা জানালেন যে,  এই মন্দির ও শশ্বানঘাট পঞ্চায়েত ও পুরনিগমের মধ্যে অবস্থিত,  কিন্তু দেখার লোক নেই। সরকার একটু দেখলে উন্নত হবে কারণ এলাকার দাহ করার জন্য এই শশ্বানঘাট ব্যবহার করে। এলাকাবাসীরা বলেন, পঞ্চায়েত ও পুরনিগমের কেও দেখতে আসে না।

 

দেহ আনার সাথে জামাকাপড় ও খাটবিছানা পড়ে থাকে। তবে পুরনিগমের ১৬ নম্বর ওয়ার্ড -এর  কাউন্সিলার সুমিত্রা বাউরি যানান যে, পঞ্চায়েত ও পুরনিগমের শশ্বানঘাট  দুই আছে, তাই আমাদের পুরনিগমের এলাকাতে পরিস্কার করার জন্য কর্মী  পাঠানো হয়। এটা মিথ্যে কথা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে  জানান।আমরা যথেষ্ট কাজ করি,  তবে পঞ্চায়েত থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কেও বলছেন এটা পঞ্চায়েতের এলাকা আবার কেও বলছেন পুরনিগমের এই নিয়ে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।মানুষেরা অসুবিধায় পড়ছেন প্রশাসন একটু নজর দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *