কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ হর্ষ বর্ধন কলকাতায় আইএসিএস-এর আধুনিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিলান্যাস করলেন

এই মুহূর্তে সারাবাংলা

খবরইন্ডিয়াঅনলাইন, কলকাতাঃ     কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ডঃ হর্ষ বর্ধন আজ কলকাতায় ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্সের (আইএসিএস) একটি আধুনিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিলান্যাস করেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির নামাঙ্কিত এই আধুনিক গবেষণা তথা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (স্মার্ট) বারুইপুরে গড়ে তোলা হচ্ছে। এই উপলক্ষে ডঃ হর্ষ বর্ধন বলেন, দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীদের জন্য ভারত এখন ‘ব্রেন ড্রেন’ থেকে ‘ব্রেন গেইন’ দেশে পরিণত হওয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীদের অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ভারতের উন্নয়নের সুফলগুলি লাইনের শেষে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেও তাঁরা যে পন্থাপদ্ধতির উদ্ভাবন করেছেন তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে ডঃ হর্ষ বর্ধন বলেন, তাঁর উদ্যোগের ফলেই আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ ভারত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিশ্বের অগ্রণী তিনটি দেশের অন্যতম হয়ে উঠতে চলেছে। আইএসিএস-এর মতো প্রতিষ্ঠান বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রেও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাছে অননুকরণীয় হয়ে উঠতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, রোবোটিক্স, ন্যানো-সায়েন্স, ন্যানো-টেকনলজি, সাইবার প্রযুক্তি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে গবেষণা তথা উদ্ভাবনের বিপুল সম্ভাবনা দেশে রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে আইএসিএস-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলেও তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।

অত্যাধুনিক ‘স্মার্ট’ ক্যাম্পাস গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ডঃ হর্ষ বর্ধন আইএসিএস-এর প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। বৈজ্ঞানিক মানসিকতাসম্পন্ন যে কোন দেশের কাছে উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হল উদ্ভাবন ও বিজ্ঞানমূলক কাজকর্ম। তিনি আরও জানান, বিশ্বে ন্যানোপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারত তৃতীয় স্থানে এবং বিজ্ঞানমূলক গবেষণাপত্র প্রকাশে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে। এমনকি, সুনামির আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ভারত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে।

অনুষ্ঠানে আইএসিএস পরিচালন পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এম শর্মা, কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের সচিব অধ্যাপক আশুতোষ শর্মা, এই প্রতিষ্ঠানের ডায়রেক্টর অধ্যাপক শান্তনু ভট্টাচার্য প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ( তথ্যঃ পিআইবি )।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *