কর্মসংস্হান মূলক প্রকল্প প্রসঙ্গে

এই মুহূর্তে পাঁচমিশালী

খবরইন্ডিয়াঅনলাইন, নয়াদিল্লিঃ   কর্মসংস্হানের সঙ্গে কর্মযোগ্যতার বিষয়টিও জড়িয়ে রয়েছে। সরকার তাই কর্মযোগ্যতার ব্যাপারে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্হান নিশ্চয়তা আইন (এমজিএনআরইজিএ) ২০০৫ রূপায়ণ করে আসছে। এই আইন অনুযায়ী, প্রতিটি পরিবারের পূর্ণবয়স্ক সদস্যরা একটি আর্থিক বছরে অন্তত পক্ষে ১০০ দিন মজুরির বিনিময়ে কাজের সুযোগ পেয়ে থাকেন। তবে, কাজের চাহিদার বিষয়টি বৃষ্টিপাতের ধরণ, বিকল্প ও বেশি লাভজনক কাজের সুযোগ প্রভৃতির ওপর নির্ভর করে।

এছাড়াও, সরকার কর্মসংস্হানমূলক বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণ করছে। এগুলির মধ্যে রয়েছে- প্রধানমন্ত্রীর কর্মসংস্হান সৃষ্টি কর্মসূচি, পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় গ্রামীণ কৌশল্য যোজনা, দীনদয়াল অন্ত্যোদ্বয় যোজনা, জাতীয় শহরাঞ্চলীয় জীবন-জীবিকা মিশন প্রভৃতি।

লোকসভায় সোমবার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ কথা জানান শ্রম ও কর্মসংস্হান প্রতিমন্ত্রী শ্রী সন্তোষ কুমার গাঙ্গোয়ার। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্হান সৃষ্টি কর্মসূচিতে ২০১৭-১৮ সালে ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার ১৮৪ জন কাজ পেয়েছেন। ২০১৮-১৯-এর ৩০ জুন পর্যন্ত এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ১১ হাজার ৬৪-তে।

একইভাবে এমজিএনআরইজিএ কর্মসূচিতে ২০১৭-১৮-তে ২৩৪ কোটি ২৬ লক্ষ শ্রম দিবস সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৮-র ২০ জুলাই পর্যন্ত শ্রম দিবস তৈরির সংখ্যা ৮২ কোটি ৫১ লক্ষ। গ্রামীণ কৌশল্য যোজনায় ৭৫ হাজার ৭৮৭ জন ২০১৭-১৮-তে কাজ পেয়েছেন। ২০১৮-র ১০ জুলাই পর্যন্ত কাজ পেয়েছেন ২৩ হাজার ৭৫৭ জন। একইভাবে, জাতীয় শহরাঞ্চলীয় জীবন-জীবিকা মিশনে ২০১৭-১৮-তে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১৪০ জনের কর্মসংস্হান হয়েছে। ২০১৮-র ৯ জুলাই পর্যন্ত এই মিশনের মাধ্যমে ২২ হাজার ৫১৮ জন উপকৃত হয়েছেন বলেও শ্রী গাঙ্গোয়ার জানান। ( তথ্যঃ পিআইবি )।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *