দায় অভিভাবক

সম্পাদকীয়

খবরইন্ডিয়াঅনলাইনঃ    মোটরসাইকেল যেমন আকর্ষণীয় তেমনি দুর্ঘটনার প্রথম ধাপেও রয়েছে এই যান্ত্রিক বাহনটি। যানজট থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় মোটরসাইকেলকেই বেশি প্রাধান্য দেয় ব্যস্ততম শহরের সাধারণ মানুষগুলো। তারা মনে করেন, সঠিক সময়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য এ বাহন ছাড়া দ্বিতীয় কোন উপায় নেই।এ বাহনের মাধ্যমে দুর্ঘটনাও যে ঘটছে সে কথাও মানছে মোটর আরোহীরা।
মোটরসাইকেল আকারে অনেকটা ছোট। কিন্তু অধিক দ্রুতগামী। আর এই দ্রুতগামীতাই কেঁড়ে নিচ্ছে তাজা প্রাণ।এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ ছিল মাত্রাহীন গতি।
এদিকে  উঠতি বয়সী যুবকদের দেখা যায় পাল্লা দিয়ে মোটরসাইকেল চালাতে। সড়ক পথে তাদের নিয়ন্ত্রণ করার মতো কেউ ছিলনা।

 

প্রতিটি গাড়ি সিগন্যাল মানলেও মানছে না কেবল মোটরসাইকেল আরোহীরা। যার ফলে তারা নিজেরাই দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে।

দুর্ঘটনার ঝুঁকি মোকাবেলায় সবার আগে মোটরসাইকেলের ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা। তারা বলছেন সর্ব সাধারণের জন্য নির্দিষ্ট সিসি’র অতিরিক্ত ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে। চালক ও বাহকের জন্যে হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে।

রাস্তায় গাড়ির গতি থাকা উচিৎ ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। সেখানে ৮০ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চালানো হয়। যার ফলে ঘটে দুর্ঘটনা। গতি নিয়ন্ত্রণ হলেই দুর্ঘটনা কমে আসবে। মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সরকারকে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে। ছবিঃ প্রতীকী।

 

1 thought on “দায় অভিভাবক