সুন্দরগ্রামের সৌন্দর্য

এই মুহূর্তে ভ্রমণ ও পর্যটন


২৫শে মে,রিষড়া,দেবলীনা বিশ্বাস :প্রত্যেক দিনকার শহুরে এঘেয়ে জীবনযাপন,অপরিশোধিত পরিবেশ থেকে ছুটি নিতে হলে টুক করে ঘুরে আসুন ‘সুন্দরগ্রাম’।

সাজানো গচ্ছানো, দূষণমুক্ত,ছোট একটি গ্রাম। ঠিক বলতে পারেন ছোটবেলায় ছুটিরদিনে রঙ তুলি দিয়ে সময় কাটানোর জন্য যেমন আমরা আঁকতাম ঠিক অবিকল তেমনি। সকাল হয় পাখির ডাক দিয়ে,সন্ধ্যো নামে ঝিঁঝিঁ পোঁকার আওযাজের সঙ্গে।সাথে রয়েছে পুকুরের মাছ।ঘুড়েবেড়াচ্ছে হাঁস-মুরগিও।সব কিছু পরব করেত হলে চাই ঠিক হাতে একটা দিন,আর উপভোগ করুন মাটির সোদা গন্ধ,সবুজ ধানখেত আর সুস্বাদু সব খাবার।

কলকাতা থেকে ঠিক ৩৫কিলোমিটার দূরে অবস্হিত এই সুন্দরগ্রাম।সাথী যদি হয় গাড়ি তাহলে সায়েন্সসিটি থেকে বাসন্তী হাইওয়ে ধরে নিন।মালঞ্চ যাওয়ার পথে ঠিক ডানদিক থেকে বেঁকে যান,পৌঁছে যাবেন ২ঘন্টায় ‘সুন্দরগ্রাম’।

এখানে রয়েছে ৫টি মাটির ঘর(আকাশ,বাতাস,ধামসা,মাদল,দোতারা)।এিস,নন-এসির দুই ব্যবস্থা আছে এখানে,বাঁশের তৈরি বিছানাও রয়েছে। আসল কথা হল এখানে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে দারুণ। চাইলে পেতে পারেন,ছিপ দিয়ে ধরা রান্না করা মাছ।পাঠার মাংস,তাজা হাঁসের ডিমও।বহুদিনের পুকুরে স্নানের ইচ্ছে থাকলেও সখ মেটাতে পারেন এখানে।বাউলগান,বনফায়ারেও বন্দোবস্ত আছে।ড্রাইভার থাকারও সুব্যবস্থা আছে।ঘড়ভারা ও খাওয়াদাওয়া বাবদ তিন হাজার টাকা লাগবে।

দোল খেলার ব্যবস্থাও করা হয়,প্রত্যেক বছর ‘মা’ আসেন বোধন থেকে বিসর্জন সুন্দরগ্রামে।ধুনুচি নাচ,সিঁদুর খেলা,উপভোগ করতে চাইলে আসতেই হবে ‘সুন্দরগ্রামে’।আসার আগে সুন্দরগ্রামের নিজস্ব ওয়েব সাইড থেকে বুকিং করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *