কালবৈশাখীর পারফরম্যান্স

এই মুহূর্তে বিনোদন


সৌমিলি পাল: এ বছরে কালবৈশাখীর পারফরম্যান্স দারুন। তবে এখনও তীব্রতার নিরিখে সে মাইল ফলক ছুঁতে পারেনি। সাধারণত মে মাসের পর কালবৈশাখী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না, অর্থাৎ তীব্রতার মাইল ফলক ছুঁতে কালবৈশাখীর হাতে রয়েছে মাত্র এক সপ্তাহ। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এ বছর কালবৈশাখীর দাপট গত কয়েকবছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। মৃতের সংখ্যাও গত দুই-আড়াই মাসে ৪০ ছাড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত এ বছরে ১০ বার শহরে কালবৈশাখী বয়েছে এবং অন্যান্য এলাকায়। সংখ্যাটা গত  বছরের তুলনায় দ্বিগুণ।

সাধারণত কালবৈশাখীর গতিবেগ হয় ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার। অন্তত এক মিনিট ওই গতিবেগে ঝড় স্থায়ী না হলে তাকে কালবৈশাখী বলা যায় না। কালবৈশাখীর তীব্রতা নির্ভর করে মূলত মেঘের উচ্চতার উপর। উচ্চতা বেশি হলে তীব্রতাও বেশি হয়। চলতি বছর শহরে কালবৈশাখীর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৯৮ কিলোমিটার। ২০১৩ অথবা ২০১৪ সালে শহরে একবার কালবৈশাখীর গতিবেগ ছিল ১১৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, প্রত্যেক বছর মার্চ থেকে মে (প্রাকবর্ষা সময়কাল) পর্যন্ত সমান সংখ্যক কালবৈশাখী হবে, তেমন কোনও কথা নেই। সংখ্যার বিচারে দেখলে, এই বছরে কালবৈশাখীর দাপট অনেকটাই বেশি। জেলাতেও কালবৈশাখীর সংখ্যাটা অনেক বেশি বলেই মনে করছে আবহাওয়া দফতর। তবে প্রত্যেক জায়গায় পর্যবেক্ষণের উপযুক্ত পরিকাঠামো না-থাকায় জেলায় কালবৈশাখীর প্রকৃত সংখ্যা জানাতে পারেনি আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *